1. admin@durnitybarta24.com : admin :
  2. sumonbpl2020@gmail.com : sumon hasan : sumon hasan
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
লকডাউনে বেনাপোলে বেড়েছে চুরির প্রবণতা বেনাপোলে ডিবির অভিযানে ইয়াবা সহ আটক ২ বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন বেনাপোলে সুদ ব্যবসায়ী হাসেমের লাগামহীন সুদ বাণিজ্যে ছাত্রলীগ নেতা আল-ইমরানের মৃত্যূতে বেনাপোলে শোকের ছায়া ১ম শ্রেনীর পৌরসভায় নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ: ক্ষমতা কমছে জনপ্রতিনিধিদের! বিশিষ্ট সাংবাদিক আজিজুর রহমান মঞ্জুর প্রাণনাশের হুমকি: থানায় অভিযোগ বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত থেকে পিস্তল,গুলি ও ম্যাগজিন সহ আটক-২ শার্শায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত বেনাপোলে এনজিও কর্মির নিকট থেকে দুই লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ !

১ম শ্রেনীর পৌরসভায় নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ: ক্ষমতা কমছে জনপ্রতিনিধিদের!

  • সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১
  • ২৪৮ বার পঠিত
১ম শ্রেনীর পৌরসভায় নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ: ক্ষমতা কমছে জনপ্রতিনিধিদের

জে এইচ নাঈম: দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সংস্কার ও ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেশের পৌরসভা গুলোতে একজন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সাথে ‘ক’ শ্রেনীর ১৯৪ পৌরসভার কাজের গতি বাড়ানো, জনদুর্ভোগ কমানো ও আয় বাড়াতে প্রশাসন ক্যাডার থেকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ দিচ্ছে সরকার। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশিষ্ট সূত্র জানায়, পৌরসভায় প্রধান নির্বাহীর অভাবে আয়ের উৎস থাকলেও আয় বাড়ছে না। এছাড়া প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজে বিঘ্ন হচ্ছে। পৌরসভার অধিকাংশ কাজ শৃঙ্খলায় আনতে সিইও নিয়োগের প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছে সরকার।

জানা গেছে,এরই মধ্যে মেহেরপুর ও কক্সবাজার পৌরসভায় জুন মাস থেকে সরকারের সহকারী কমিশনার পদের দুই কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের ৩২৮ পৌরসভার মধ্যে ১৯৪টি ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভায় প্রধান নির্বাহী পদে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হবে। স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯-এ বলা হয়েছে, সরকার নির্ধারিত শর্তে পৌরসভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ দেবে। পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁর অধীনে থাকবেন।

প্রাথমিকভাবে প্রথম শ্রেণির পৌরসভায় প্রশাসন ক্যাডার থেকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হবে, এরপর পর্যায়ক্রমে সকল পৌরসভাতেই হবে এই নিয়োগ। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বিভিন্ন পৌরসভার মেয়রদের মাঝে। এই নিয়োগের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। সিইও নিয়োগ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, পৌরসভার সার্বিক কার্যক্রম গতিশীল করতে এবং স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বেশিরভাগ পৌরসভাতে রাজস্ব আদায়ের কাজটি নিয়মিত হয় না। যে কারণে অনেক পৌরসভায় নিজেদের কর্মীদের বেতন-ভাতা নিজেরা সংস্থান করতে পারছে না। এ কারণে পৌরসভার কার্যক্রমে গতি আনতে এই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

যদিও সরকার বলছে, পৌরসভার কাজে গতিশীলতা আনার জন্যই এই উদ্যোগ। কিন্তু নির্বাচিত মেয়রদের প্রায় সবাই সিইও নিয়োগে প্রয়োজন আছে বলে মনে করছেন না। বরং এ নিয়োগে কাজে জটিলতা বাড়বে বলে তারা আশঙ্কা করছেন। সিইও’র বেতন কোথা থেকে হবে এবং তিনি জন প্রতিনিধিদের কাজে হস্তক্ষেপ করবেন কিনা, এই প্রশ্ন তুলেছেন বিভিন্ন পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র। তারা মনে করছেন, আমলাতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে পৌরসভায় সিইও নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। মেয়রদের আশংকা এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদের কাজের স্বাধীনতা ও পরিবেশ ব্যাহত হতে পারে। তাছাড়া এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে তাদের মতামতও নেওয়া হয়নি বলে জানান তারা।
স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনসহ দেশের ১২টি সিটি করপোরেশনেই প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা কাজ করছেন। দেশের চারটি পৌরসভায় (ভোলা, সাভার, নারায়ণগঞ্জের তারাব ও ফরিদপুর) আগে থেকেই প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রয়েছেন।
দেশের সিংহভাগ প্রথম শ্রেণীর পৌরসভার মেয়রের চেয়ারে রয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারাই। যে কারণে সরকার এই পদক্ষেপের সরাসরি বিরোধিতা বা প্রতিবাদ জানাতে পারছেন না, এমনকি প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানানো থেকেও অনেক মেয়র বিরত আছেন। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে মেয়রদের কেউ কেউ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া। পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠন পৌরসভা সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ১ মাস থেকে ৬০ মাস পর্যন্ত বেতন-ভাতা বকেয়া রয়েছে ১৯০টির বেশি পৌরসভায়।

পৌরসভার মেয়রদের সংগঠন মিউনিসিপ্যাল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি শ্রীপুর পৌরসভা মেয়র আনিসুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধান নির্বাহী দেওয়ার সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া উচিত হবে না। যে পৌরসভার সিইও প্রয়োজন হবে, সে চেয়ে নেবে। তিনি আরও বলেন, বিদ্যমান কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরই বেতন-ভাতা দিতে হিমশিম খেতে হয়। প্রথম শ্রেণির গেজেটেড একজন কর্মকর্তার বেতন-ভাতাও তখন পৌরসভার কাঁধে যুক্ত হবে।

দেশের বিভিন্ন উপজেলা পরিষদে স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধিদের সাথে প্রশাসনের মতভেদ ও দ্বন্ধের কথা প্রায়ই শোনা যায়। স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞদের আশংকা সে দ্বন্ধ সামনের দিনে পৌরসভার ক্ষেত্রেও ঘটতে দেখা যাবে।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড.তোফায়েল আহমেদ বলছেন, সরকার যদি পৌরসভার জনপ্রতিনিধিদের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এই উদ্যোগ নেয়, তাহলে সেটি সফল হবার সম্ভাবনা কম।কারণ সক্ষমতা বাড়াতে হয় ভেতর থেকেই। কিন্তু সরকার যদি এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়, সেটি সম্ভব।
স্থানীয় সরকার বিভাগের একাধিক কমকর্তা জানান, পৌরসভার প্রশাসন, স্বাস্থ্য ও প্রকৌশল তিনটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধানেরা সিইওর অধীন থাকেন প্রশাসন বিভাগের প্রধান সচিব, স্বাস্থ্য বিভাগে প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং প্রকৌশল বিভাগে প্রধান প্রকৌশলী। সিইও না থাকলে তাঁরা নিজ নিজ বিভাগের নথি পাঠান মেয়রের কাছে। পৌরসভায় সিইও থাকলে তিন বিভাগের নথি যাবে তাঁর কাছে । তিনি এসব নথি মেয়রের কাছে উপস্থাপন করবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর
© All rights reserved © 2021 Durnity Barta24.com
Theme Customized By Theme Park BD
error: Content is protected !!